শুক্রবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ২:৫২
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র

ডেস্ক রিপোর্ট ।। ৩৩তম দেশ হিসেবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের দোরগোড়ায় বাংলাদেশ। রূপপুরের প্রথম ইউনিটের চুল্লীতে এখন চলছে বিক্রিয়া। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, পরের ধাপগুলো সফলভাবে পার করা গেলে নভেম্বরেই পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশাল বিনিয়োগের কেন্দ্রটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লীতে জ্বালানি ইউরেনিয়াম প্রবেশ করানো হয় মে মাসে। লক্ষ্য ছিল সেপ্টেম্বরের মধ্যে পারমাণবিক বিক্রিয়া থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন। কিন্তু নিরাপত্তা ভাল্বের ত্রুটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে।

অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে দু’দফা উচ্চচাপে ভাল্বের পরীক্ষায় সফল হন রাশিয়ার বিশেষজ্ঞরা। যার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে ১১ অক্টোবর চুল্লীতে বিক্রিয়া শুরু হয়। এবছরই পরীক্ষামূলকভাবে মিলতে পারে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

প্রথমে চুল্লীতে ইউরেনিয়াম পরমাণু ভেঙে শক্তি ও তাপ উৎপাদন করবে। মাসখানেক সেই উচ্চতাপ তৈরির বিক্রিয়ার বিভিন্ন সূচকও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে। তারপরের ধাপে উচ্চচাপের পানি বাষ্পে পরিণত হবে। পরে পাইপলাইনে প্রবাহিত তীব্রচাপের বাষ্প ঘোরাবে টারবাইন, যা জেনারেটর ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।

রূপপুর প্রকল্পে মোট ব্যয় ১ হাজার ২৬৫ কোটি ডলার। যার ৯০ শতাংশই এসেছে রাশিয়ার ঋণে।

দুই ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোপুরি চালু হলে দেশের ১০ ভাগ চাহিদা পূরণ করবে। পরিবেশবান্ধব জ্বালানির বিদ্যুৎ মিলবে টানা ৬০ বছর।